প্রকাশিত:
৩০ ডিসেম্বর, ২০২৫

ফ্লোরিডায় ট্রাম্পের সাথে সৌজন্যপূর্ণ বৈঠকের পর নেতানিয়াহু বলেন, ‘এই পদক্ষেপ ইসরায়েলের জনগণের ‘প্রচণ্ড কৃতজ্ঞতার অনুভূতি’ প্রতিফলিত করছে, যা মার্কিন প্রেসিডেন্টের দেশটির প্রতি সমর্থনের জন্য।’
সংবাদকর্মীদের সাথে কথা বলার সময় নেতানিয়াহু আরো বলেন, ‘প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প অনেক নিয়ম ভেঙেছেন, যা মানুষকে অবাক করেছে। পরে তারা বুঝতে পেরেছে, ‘হয়তো তিনি শেষ পর্যন্ত সঠিক ছিলেন।’
বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বলেন, ‘তাই আমরাও সিদ্ধান্ত নিয়েছি একটি ঐতিহ্য ভাঙব বা নতুন একটি তৈরি করব এবং তা হলো ট্রাম্পকে ইসরায়েলকে পুরস্কার দিয়ে সম্মানিত করা।’
নেতানিয়াহু অক্টোবর মাসে ট্রাম্পকে ইসরায়েলের ‘সর্বকালের সেরা বন্ধু’ হিসেবে বর্ণনা করেছিলেন। নেতানিয়াহু ট্রাম্পকে এই পুরস্কার নিয়ে বলেন, ‘এটি ইসরায়েলের জনগণের সর্বব্যাপী অনুভূতির প্রতিফলন। তারা আপনার কৃতিত্বকে মূল্যায়ন করছে।’
সাধারণত শুধুমাত্র ইসরায়েলের নাগরিক বা বসবাসকারীদের জন্য সংরক্ষিত থাকে এই সম্মান। তবে ‘ইহুদী জনগণের প্রতি বিশেষ অবদান’ ক্যাটেগরিতে বিদেশিরাও সম্মান পেতে পারেন। এর আগে ১৯৯১ সালে এই সম্মান অর্জন করেছিলেন ভারতীয় কনডাক্টর জুবিন মেহতা। পুরস্কার প্রাপ্তি নিয়ে ট্রাম্প স্পষ্টভাবে আনন্দ প্রকাশ করেন এবং বলেন, ‘এটি সত্যিই অবাক করা এবং অত্যন্ত প্রশংসাযোগ্য।’ তিনি ইঙ্গিত দেন, হয়তো অনুষ্ঠান উপলক্ষে ইসরায়েলেও সফর করবেন। ট্রাম্পের জন্য এই সম্মান তার নিজস্ব আঞ্চলিক কূটনীতিক ও শান্তির স্থপতির ইমেজকে আরো শক্তিশালী করছে। বিভিন্ন বক্তব্য ও সাক্ষাৎকারে তিনি নিয়মিত দাবি করেন, ‘তিনি আটটি যুদ্ধ বন্ধ করেছেন এবং নিজেকে বিশ্বমানের সংঘাত নিয়ন্ত্রণের এক অনন্য ক্ষমতাসম্পন্ন নেতা হিসেবে উপস্থাপন করেন।’
তিনি দীর্ঘদিন ধরে নোবেল শান্তি পুরস্কারের প্রতি আগ্রহ প্রকাশ করেছেন, যদিও ২০২৫ সালে তিনি এটি পাননি। সম্প্রতি ট্রাম্পকে ‘ফিফা পিস প্রাইজ’ দেওয়া হয়েছে, যা কূটনৈতিক সফলতার প্রতীক হিসেবে দেখা হচ্ছে। তবে এখনো অর্জিত হয়নি নোবেল পুরস্কারের মতো সম্মান।